#চর_কুকরী_মুকরী_[চরফ্যাশন_ভোলা]
চর কুকরী মুকরী ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার অন্তর্গত একটি ইউনিয়ন যা বঙ্গোপসাগরের দ্বারপ্রান্তে মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীর মোহনায় অবস্থিত।প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপরূপ লীলাভূমি এই চর কুকরী মুকরী।নদী,পানি,কেওড়ার বন আাশেপাশের পরিবেশ দৃশ্য আপনাকে মুগ্ধ করবেই।(১০০%)হারিয়ে যাবেন অন্য এক ভূবনে।এ যেনো সৃষ্টিকর্তার এক অপরূপ সৃষ্টি।
আর ব্যবহার আর সরলতা কারনে এখানের সহজ সরল মানুষ গুলোকে অনেক আপন মনে হবে।
কিভাবে যাবেন
ঢাকার সদরঘাট থেকে প্রতিদিন রাত ৮ টা ৩০ এ তাসরিফ ৩/৪ লঞ্চ ছেড়ে যায় চরফ্যাশনের উদ্দেশ্যে। ডেকের ভাড়া ২০০/৩০০ টাকা কেবিন ৮০০/১৫০০
সকালে চরফ্যাশন পৌঁছে বাইকে করে চলে যাবেন কচ্ছপিয়া ঘাট।
ভাড়া এক বাইক ২০০(দামাদামি করে)২ জন গেলে ১০০ করে পড়বে।
ঘাট থেকে খেয়া(ছোট লঞ্চ)যেতে পারেন কুকরী মুকরী।কিংবা স্পীড বোট রিজার্ভ করেও যেতে পারেন।খেয়া ছাড়ে দুপুর ১২ টা ৩০ এ আর বিকেল ৪ টা ৩০ এ।ভাড়া ৪০ টাকা।ফেরার সময় সেইম রুটে ব্যাক করবেন।
কুকরী মুকরী থেকে খেয়া সকাল ৯ টা ও দুপুর ২.৩০ এ।আর চরফ্যাশন থেকে বিকাল ৫ টায় ঢাকার লঞ্চ ছেড়ে যায়।
তাই অবশ্যই সকালের খেয়ায় ব্যাক করার ট্রাই করবেন।দুপুরেও আসা যায় তবে অনেক তাড়াহুড়া করতে হয়।তাই সকালে আসাই ভালো।
কোথায় থাকবেন
স্থানীয় মাঝিদের সাথে কথা বলে থাকতে পারেন নৌকায়।আমরা নৌকায় থেকে ছিলাম।
এছাড়াও চর কুকরী মুকরীতে থ্রি স্টার মানের বিশাল এরিয়া,সুইমিংপুলসহ একটি সরকারী রেস্ট হাউজ রয়েছে।থাকতে হলে আগে থেকে অনুমতি নিয়ে যেতে হবে।রুম প্রতি ভাড়া ২০০০ টাকা।খুবই আরামে ও আধুনিক সুযোগ সুবিধায় থাকতে পারবেন।
কি কি খাবেন
চর কুকরী মুকরী তে একটি বাজার আছে।খাবার হোটেল ও আছে।পছন্দমত বাজার করে হোটেলে দিয়ে দিলে তারা আপনাকে সুন্দর করে রান্না করে দেবে।তাজা ইলিশ আর কাঁকড়াও খেতে পারেন অনেক কম দামে।
কি কি দেখবেন
নৌকায় করে অবশ্যই নদীতে যাবেন,মাছ ধরা দেখবেন।চাইলে গোসলও করতে পারেন।
যদি ভাগ্য ভালো হয় তাহলে বনে পেয়ে যেতে পারেন হরিনের আর বানরের দেখা।
বিকেলের দিকে চলে যাবেন নারিকেল বাগানে, ম্যানগ্রোভ বন আর বিচ দেখতে।নারিকেল বাগান যেতে হলে বাজার থেকে ১৫ মিনিট হেঁটে চলে যাবেন ডাকাইত্তার ঘাট।ওখান থেকে ৫০০/৭০০ টাকায় বোট ভাড়া করে যেতে হয়।
বি দ্র : কুকরী মুকরীতে ইলেক্টিসিটি নেই,তবে বাজারে সোলার,জেনেরেটরে চার্জ দেওয়া যায়,তাতে অনেক সময় লাগে।
তাই অবশ্যই মোবাইল ফোন,ক্যামেরা,পাওয়ার ব্যাংক ফুল চার্জ করে নিবেন।
দৃষ্টি আকর্ষণ
প্রকৃতি স্রষ্টার দান।ঘুরতে গিয়ে আমরা যেন এই সুন্দর পরিবেশকে নোংরা না করি।
পরিবেশের যত্ন নেয়া আমাদের সবার দায়িত্ব। কোথাও গেলে পরিবেশের প্রতি খেয়াল রাখুন, যত্রতত্র ময়লা ফেলা থেকে বিরত থাকুন।
চর কুুকরী মুকরী
চর কুকরী মুকরী ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার অন্তর্গত একটি ইউনিয়ন যা বঙ্গোপসাগরের দ্বারপ্রান্তে মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীর মোহনায় অবস্থিত।প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপরূপ লীলাভূমি এই চর কুকরী মুকরী।নদী,পানি,কেওড়ার বন আাশেপাশের পরিবেশ দৃশ্য আপনাকে মুগ্ধ করবেই।(১০০%)হারিয়ে যাবেন অন্য এক ভূবনে।এ যেনো সৃষ্টিকর্তার এক অপরূপ সৃষ্টি।
আর ব্যবহার আর সরলতা কারনে এখানের সহজ সরল মানুষ গুলোকে অনেক আপন মনে হবে।
কিভাবে যাবেন
ঢাকার সদরঘাট থেকে প্রতিদিন রাত ৮ টা ৩০ এ তাসরিফ ৩/৪ লঞ্চ ছেড়ে যায় চরফ্যাশনের উদ্দেশ্যে। ডেকের ভাড়া ২০০/৩০০ টাকা কেবিন ৮০০/১৫০০
সকালে চরফ্যাশন পৌঁছে বাইকে করে চলে যাবেন কচ্ছপিয়া ঘাট।
ভাড়া এক বাইক ২০০(দামাদামি করে)২ জন গেলে ১০০ করে পড়বে।
ঘাট থেকে খেয়া(ছোট লঞ্চ)যেতে পারেন কুকরী মুকরী।কিংবা স্পীড বোট রিজার্ভ করেও যেতে পারেন।খেয়া ছাড়ে দুপুর ১২ টা ৩০ এ আর বিকেল ৪ টা ৩০ এ।ভাড়া ৪০ টাকা।ফেরার সময় সেইম রুটে ব্যাক করবেন।
কুকরী মুকরী থেকে খেয়া সকাল ৯ টা ও দুপুর ২.৩০ এ।আর চরফ্যাশন থেকে বিকাল ৫ টায় ঢাকার লঞ্চ ছেড়ে যায়।
তাই অবশ্যই সকালের খেয়ায় ব্যাক করার ট্রাই করবেন।দুপুরেও আসা যায় তবে অনেক তাড়াহুড়া করতে হয়।তাই সকালে আসাই ভালো।
কোথায় থাকবেন
স্থানীয় মাঝিদের সাথে কথা বলে থাকতে পারেন নৌকায়।আমরা নৌকায় থেকে ছিলাম।
এছাড়াও চর কুকরী মুকরীতে থ্রি স্টার মানের বিশাল এরিয়া,সুইমিংপুলসহ একটি সরকারী রেস্ট হাউজ রয়েছে।থাকতে হলে আগে থেকে অনুমতি নিয়ে যেতে হবে।রুম প্রতি ভাড়া ২০০০ টাকা।খুবই আরামে ও আধুনিক সুযোগ সুবিধায় থাকতে পারবেন।
কি কি খাবেন
চর কুকরী মুকরী তে একটি বাজার আছে।খাবার হোটেল ও আছে।পছন্দমত বাজার করে হোটেলে দিয়ে দিলে তারা আপনাকে সুন্দর করে রান্না করে দেবে।তাজা ইলিশ আর কাঁকড়াও খেতে পারেন অনেক কম দামে।
কি কি দেখবেন
নৌকায় করে অবশ্যই নদীতে যাবেন,মাছ ধরা দেখবেন।চাইলে গোসলও করতে পারেন।
যদি ভাগ্য ভালো হয় তাহলে বনে পেয়ে যেতে পারেন হরিনের আর বানরের দেখা।
বিকেলের দিকে চলে যাবেন নারিকেল বাগানে, ম্যানগ্রোভ বন আর বিচ দেখতে।নারিকেল বাগান যেতে হলে বাজার থেকে ১৫ মিনিট হেঁটে চলে যাবেন ডাকাইত্তার ঘাট।ওখান থেকে ৫০০/৭০০ টাকায় বোট ভাড়া করে যেতে হয়।
বি দ্র : কুকরী মুকরীতে ইলেক্টিসিটি নেই,তবে বাজারে সোলার,জেনেরেটরে চার্জ দেওয়া যায়,তাতে অনেক সময় লাগে।
তাই অবশ্যই মোবাইল ফোন,ক্যামেরা,পাওয়ার ব্যাংক ফুল চার্জ করে নিবেন।
দৃষ্টি আকর্ষণ
প্রকৃতি স্রষ্টার দান।ঘুরতে গিয়ে আমরা যেন এই সুন্দর পরিবেশকে নোংরা না করি।
পরিবেশের যত্ন নেয়া আমাদের সবার দায়িত্ব। কোথাও গেলে পরিবেশের প্রতি খেয়াল রাখুন, যত্রতত্র ময়লা ফেলা থেকে বিরত থাকুন।


Comments
Post a Comment